শুক্রবার, ১৩ আগস্ট, ২০১০

ভালোবাসার চেইন রিএকশান


পৃথিবীতে যদি শুধু একটা শব্দ প্রতিষ্টার জন্য সব মানষ তাদের সকল শ্রম নিয়োগ করতো তাহলে হয়তো কোনদিন কাউকেই কোন কষ্ট স্পর্শ করতে পারতো না। ভালোবাসা এই ছোট্ট একটা শব্দের যে কত শক্তি তা আমরা কল্পনাও করতে পারিনা ।

এই একটা শব্দের সর্বোচ্চ ব্যবহারের উপরেই নির্ভর করছে আমাদের জীবনের সব শান্তি সম্মৃদ্ধি । জীবনের অতি ক্ষুদ্র অংশ থেকে শুরু করে সবদিকে যদি এর ব্যপক প্রয়োগ নিশ্চিত করা যেত তাহলে আমাদের পৃথিবীটা সত্যিই আলো আমার আলো ওগো আলোয় ভূবন ভরা হয়ে যেত ।

আমার বাবা মা আমাকে খুব ভালোবাসেন । আমার কোন কষ্ট তাদের সহ্য হয়না । কিন্তু এই বাবা মা যখন পরিবারের বাইরের কাউকে কষ্ট দিতে দ্বিধা বোধ করেন না, তখন ই ভালোবাসার মৃত্যু ঘটে ওখানে। আমার কষ্টে যেমন তারা ব্যাথিত হয় তেমনি যদি অন্যের কষ্টেও ব্যথা অনুভব করতো তাহলেই ভালোবাসার আর একটা সবুজ বৃক্ষ জন্ম নিত যা এই সবুজ পৃথিবী কে আরো সতেজ করে তুলতো।

আমাদের স্বার্থপরতা আমাদের মাঝ থেকে ভালোবাসা মুছে দিয়েছে । আমরা শুধু নিজেদের নিয়ে ভাবতে গিয়ে পৃথিবীকে ভালোবাসাহীন করে ফেলছি ।

যদি পরিবার কে যেভাবে ভালোবাসছি, সেভাবে দেশ কে ভালোবাসতে পারতাম তাহলে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য আমার ভালোবাসা আমাকে দায়িত্বশীল করে তুলতো। আমি অন্যের হক মেরে নিজের আখের গুছাতাম না ।

আমরা আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের গালি দিতে খুব পছন্দ করি, কিন্তু এক বার ও কি ভেবে দেখেছি, আমি নিজে কতটুকু দেশের জন্য অবদান রাখছি???

আমার দ্বারা দেশের কোন ক্ষতি হচ্ছে কি না?? কিংবা দেশের জন্য আমার ভালোবাসা কি আমি মেপে দেখেছি ???

আমার প্রতিবেশি কি খেয়ে রাত কাটাচ্ছে ??নাকি না খেয়ে , সে খবর কি আমি রাখি ??? আমার অফিসের কলিগরা আমার ভালোবাসায় কতটুকু সিক্ত???

আমার সহপাঠিটির দুঃখ কষ্টের আমি কতটুকু ভাগিদার ???

আমার চলার রাস্তাটি পরিষ্কার রাখতে আমার ভূমিকা কতটুকু ???

আমার কথায় ও কাজে ভালোবাসার প্রচ্ছন্ন প্রভাবচক্রের মধ্যে সীমাহিন এক সুখের সমূদ্র বিরাজ করতে পারে, যদি আমার অন্তরে থাকে মানুষ এবং পৃথিবীকে ভালোবাসার এক দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ...

ভালোবাসার এই চেইন রিএকশান থেকে রেহাই পাবেনা কেউই, তাহলেই আমার পৃথিবী হতে পারে কষ্ঠহীন, বেদনাবিহীন, সুখের এক অপার নীল আকাশ ...

আসুন ছড়িয়ে দেই সেই ভালোবাসা ...

শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০১০


থামবেনা সূর্যের বিকিরন,
ম্লান হবেনা বৃষ্টি যুবকের কোন মানবিক প্রতিশ্রুতি শৈল্পিক বেদোনার নকশা থেকে রক্তের ফেনা উপচে লাফিয়ে উঠবে কাংখিত নতুন পৃথিবী ----
এমন সহস্র স্বপ্নের সূঁচের আঘাতে

এখন শুধু থমকে যায় সাহসী ঈগল ...

ঘন হয় ক্লান্ত শহর

ক্লান্ত প্রহর

ক্লান্তিতে ভস্ম সুখের নহর

যদি এমনই পিছু হটা প্রেমিকদের দেখে

সবাই সিজদা আর সংগ্রাম ভুলে যায়

যদি বিশ্বাসের তলোয়ারগুলো
এই বিক্ষিপ্ত নগ্ন সময়ে
হারিয়ে ফেলে আঘাতের অভ্যাস

তবে মৃত্যু নামুক

তবে মৃত্যু কাঁদাক,

মৃত্যু শিখাক

মৃত্যু আবার হাঁক দিয়ে যাক কঠিন ত্রাসে ...

অনেক গেছে সুখ সকালের ঘাসের আবেশ

অনেক গেছে ঘরের কোনে অলস দুপুর

অনেক গেছে ছুট গতি ওই রঙের নেশায়
অনেক গেছে সন্ধ্যা বধুর মধুর তিথি ...
এবার তবে স্বপ্ন ভাঙ্গুক
এবার তবে ব্যাথার নীলে

সব ফিরে পাক তীব্র সাহস ,বাদ প্রতিবাদ ...... ১৭.০৮.২০১০

সোমবার, ২১ জুন, ২০১০

বসতি উচ্ছেদ



সেখানে যদিও শূন্যতা নিয়ে বিষাদের প্রলাপ ছিল না কোন

তবুও অনাকাংখিত বসতির এ ছিল অনিবার্য পরিনাম...

সেখানে নদী ও অরন্যের ভাষা বুঝতে পারে

এমন সাহসী অন্তর ছিল না বলেই হয়ত

এই নিখাত ভালবাসার রংধনু

আকাশ কে সুখের বদলে দিয়েছে দগ্ধ অন্ধকার ।

এ বসতির পরিব্যাপ্তি নিয়ে যে শংকা ছিল,

এ বসতির প্রতিটি গাথুনিতে যে অযত্ন ছিল,

এ বসতির প্রতিটি ইটের ভেতরে যে দুঃস্বপ্ন লুকিয়ে ছিল,

তার সবটুকুতেই নির্মম এক ভুলের ইতিহাস.........।।

ভুল ছিল, খুব বেশি ভুল ছিল!!!

ভুল করেই সেখানে পৌছে গিয়েছিল

আমার চৌকাঠ,

আমার দরোজা,

আমার কপাট .........

তাই এক উদ্দাম সাহসের সাথে আজ এই বসতি উচ্ছেদ

আর,

আর একবার রুখে দাঁড়াক হারানো উচ্ছাস !!!


মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০১০

পেছন দরজা !!!

((যখন সময় থাকে, বুঝিনা কিছুই, যখন বুঝতে পারি তখন সময় ফুরায়...!!! কেন যে এমন হয়, বুঝিনা সময় ???))

পেছনে ফিরে যাবার দরজাগুলো এমন পাষানের মত করে বন্ধ থাকে কেন?? পেছনে ফিরে যাবার দরজাটা যদি খোলা থাকতো, তাহলে এই অসহ্য সময়ের নাকে এক ঘুষি মেরে পালিয়ে যেতাম শৈশব কৈশরের দুরন্ত বাধভাঙ্গা আনন্দের জোয়ারে স্কুলের ঝোলা কাঁধে পরিচিত পথের সাথে রোজ দেখা হত কেমন এক মায়াবী হৃদয়ের টানে

জীবনের জটিলতা কুটীলতা আর এত চাওয়া পাওয়া ছুঁতে পারতোনা মনের আঁচল শুধু নিরন্তর ছুটে যেতাম শুন্যে মিলিয়ে যাবার লুকোচুরি খেলায়
কিন্তু পেছনের দরজাটা জীবনের মতই জটীল একবার সেই দরজাটা পেরিয়ে এলে, অনুপ্রবেশের অনন্ত নিষেধাজ্ঞা জারি হয়ে যায় আর কোনদিন ফিরে আসেনা কৈশরআর কোনদিন স্কুলের ইউনিফরম আর ঝোলা কাঁধে বান্ধবীর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা হয় না আর কোনদিন স্কুলের ছুটির ঘন্টা বাজলেই ভীষন খুশির নেশায় ভোঁ দৌড় দেয়া হয় না আর কখনও ডানা মেলে চিন্তামুক্ত ছোট্ট নিষ্পাপ আকাশটাতে উড়ে যাওয়া হয়না………………

শনিবার, ১৫ মে, ২০১০

নির্মম পরিহাস

যখন খুব বেশি কষ্টে থাকে মন

জ্যোস্নার শুভ্রতাকেও মনে হয় নির্মম পরিহাস

দ্বন্দের ধুম্রজালে ঝলসে যাওয়া

হৃদয়ের বিক্ষত দেহে

পৌছে না সেই জ্যোস্না রাতের কোন চিঠি ।

যখন খুব বেশি কষ্টে থাকে মন,

সময়ের ভাজে ভাজে উসারিত হতে থাকে কষ্টের কীট

বন্ধুর আস্থাজরিত হাতের পাঁচটি আঙ্গুলকেও মনে হতে থাকে

উপহাস কিংবা করুনার করাল আঘাত।

যখন খুব বেশি কষ্টে থাকে মন,

জীবনের সবগুলো অধ্যায় মনে হয় সাদাকালো ছবি

যার ফোঁকর গলিয়ে বয়ে যায় এক সমুদ্র রক্তের স্রোত……..

যখন খুব বেশি কষ্টে থাকে মন,

এক প্রবল উত্তাল ঝড়ের দাপটে ভেঙ্গে খানখান

মনের বাগান........................।

বৃহস্পতিবার, ১৩ মে, ২০১০

নিয়তি নির্ধারিত

আমি সৌন্দর্যের অপার নীলিমা খুঁজতে খুঁজতে
কেবল দুহাতে জরাই অন্ধকার
আমার এমনি নিয়তি সুখের উলটো পিঠে মুদ্রার ছাপের মত জেগে থাকে দুঃখ
এই দুঃসময়ে কি করে বলব প্রভু??
ভাল আছি খুব ভাল
সুখ শুধু নিরংকুশ সুখ !!!
জনারন্যে থাকি, তবু ক্ষুধিত পাষান থেকে ভেসে আসে
স্পর্ষাতিত তীব্র আর্তনাদ
আমার সমস্ত আত্মাকে পেঁচিয়ে আবর্তিত হতে থাকে এক কুটীল অন্ধকার
অন্ধকার যেন কৃষ্ণপক্ষ
তাই এই দুঃসময়ে কি করে বলব প্রভু?
ভাল আছি খুব ভাল
সুখ শুধু নিরংকুশ সুখ!!!

বুধবার, ১২ মে, ২০১০

Tips for the beauty conscious people.....

Lets just apply in our life to be beautiful and smart………….


১।আল্লাহর সাথে মন কে সংযুক্ত রাখি।
২।অসীম মানবিক গুনের সমাবেশ ঘটাই নিজের জীবনে।
৩।জীবন হোক মৌলিক গুনাবলীর উপরে একটি সোনালী প্রাসাদ।
৪। সকল মৌলিক মানবিক দোষ ত্রুটি থেকে নিজেকে সাফ পবিত্র রাখি।
৫।চিন্তা এবং নিয়তের পরিশুদ্ধি নিশ্চিত করি।
৬।আল্লাহর অসীম ভালবাসা পাবার আকাঙ্ক্ষা মনের ভেতরে গেথে দেই।
৭।আল্লাহর সন্তুষ্টি হাসিলের জন্য সব কাজ করি।
৮।সবার জন্য প্রতি রাতে কল্যান কামনা করি, দোয়া করি।
৯।জ্ঞ্যান অর্জনে সচেতন থাকি, পড়ালেখা বারিয়ে দেই।
১০। আল্লাহর নির্ধারিত মৌলিক ইবাদত সঠিক ভাবে এবং রুহানি পদ্ধতিতে পালন করি।
১১।ইবাদতে নিষ্ঠা তৈরি করি।
১২। নফল ইবাদত এ regularity প্রতিষ্টা করি।(তাহাজ্জুত, নফল রোযা, আল্লাহর পথে অথ ব্যয়)
১৩।সকল ইবাদতে সৌন্দয, বিনয়, নম্রতা নিশ্চিত করি।
১৪।তৃপ্তির সাথে নামায পড়ি।
১৫।দৃষ্টি এ সকল এবং মন দারা সকল খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকি।
ইনশাআল্লাহ জীবন হবে অনেক বেশি মধুময়, ঘুচে যাবে সব দুঃখ কষ্ট। আর এই জীবনের সমাপ্তিতে আরেক নতুন জীবনের জন্য সঞ্চিত থাকবে জান্নাতের সুষমা………….
থাকবে এমন একটা বাগান, যার নিচ দিয়ে ঝর্না ধারা বয়ে যাবে………….